×
  • ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৮
Active News 24

নন্দীগ্রামের হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন মরণ ফাঁদ


মামুন আহমেদ | নন্দীগ্রাম বগুড়া প্রতিনিধি প্রকাশিত: জুন ১২, ২০২১, ০৩:২৯ পিএম নন্দীগ্রামের হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এখন মরণ ফাঁদ

বগুড়ার নন্দীগ্রামের হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি মাটির ঘর এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই ঘরগুলো ভেঙ্গে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

স্থানীয়রা জানায়, ১৯৬০ সালে গ্রামের কিছু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ার পরে দুইটি পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই দুইটি পাকা ভবনেই চলে পাঠদানসহ বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম। তারপরেও মাটির ঘরগুলো এখনও ভাঙ্গা হয়নি। বিদ্যালয় চলাকালীন সময় অনেক শিক্ষার্থীই ওই ঘরের মধ্যে আসা-যাওয়া ও খেলাধুলা করে। আবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও গ্রামবাসীরা ঘরগুলোর মধ্যে আসা-যাওয়া করে।

আরো পড়ুন: নেশা করতে নিষেধ করায় কুপিয়ে হত্যা, মাদকসেবীকে পিটিয়ে মারল গ্রামবাসী

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাটির ওই ঘরের বেশিরভাগ অংশ খসে পড়েছে। যেটুকু বাঁকি আছে তাতে গোবর শুকাচ্ছে গ্রামের কিছু লোক। ঘরের জানালা-দরজা কিছু নাই। আবার টিনগুলোও নষ্ট। মাটির ঘরগুলোর সাথেই রয়েছে দুইটি পাকা ভবন।

হাটুয়া গ্রামের সুরুজ কুমার সরকার বলেন, আমার ছেলে হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্র। মাটির ঘরগুলোর খুবই খারাপ অবস্থা। তাই যে কোন সময় ছাত্র-ছাত্রী উপর ভেঙ্গে পড়তে পারে। কেন যে মাটির ঘরগুলো ভাঙ্গা হচ্ছেনা তা বুঝতে পারিনা।

ইউপি সদস্য পরিমল চন্দ্র জানান, মাটির ওই ঘরগুলো খুবই খারাপ অবস্থা। খুব দ্রুত ঘরগুলো না ভাঙ্গা হলে যে কোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

আরো পড়ুন: রামেক হাসপাতালে এক সপ্তাহে সবচেয়ে কম মৃত্যু

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক লুৎফুন নেছা বলেন, এর আগে আমরা কমিটির সভায়  ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরগুলো ভাঙ্গার আলোচনা করেছি। অনেকেই ঘরগুলো ভাঙ্গার বিপক্ষে তাই ভাঙ্গা হয়নি। আমি আবারো আলোচনা করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারকে জানাবো।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম জানান, হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ঘরগুলো অপসারণের জন্য খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

ইউসুফ / একটিভ নিউজ