ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪২৭, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১

Facebook Twitter Youtube

Logo

পদ্মা সেতু ঘিরে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হবে মোংলা বন্দর

দেশের বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প পদ্মা সেতুর সবগুলো স্প্যান বসানো শেষ হয়েছে। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ২০২২ সালের জুনে খুলে দেয়া হবে পদ্মা সেতু। তখন রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলার। দেশের অর্থনীতিতে রচিত হবে এক নতুন অধ্যায়। পদ্মা সেতুর প্রভাব পড়তে শুরু

মনির হোসেন মোংলা
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:০৫
মোংলা_বন্দর
মোংলা বন্দর

দেশের বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প পদ্মা সেতুর সবগুলো স্প্যান বসানো শেষ হয়েছে। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ২০২২ সালের জুনে খুলে দেয়া হবে পদ্মা সেতু। তখন রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলার। দেশের অর্থনীতিতে রচিত হবে এক নতুন অধ্যায়।
পদ্মা সেতুর প্রভাব পড়তে শুরু করায় মোংলা বন্দরে গত কয়েক মাসে জাহাজ আগমনের সংখ্যা বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম ৫ মাসে এ বন্দরে জাহাজ আগমনের সংখ্যা ছিল ৪০৫ টি। শুধুমাত্র  নভেম্বর মাসেই বন্দরে জাহাজ এসেছে ১০৬ টি যা বন্দর প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে নজিরবিহীন।

আমদানি রপ্তানীতে চট্রগ্রাম বন্দরের মতই চাপ বাড়বে মোংলা বন্দরে। পদ্মা সেতুকে ঘিরে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন কাজগুলোও চলছে দ্রুত গতিতে। ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হয়েছে।
 

মোংলা বন্দরের বোর্ড ও জনসংযোগ বিভাগ জানায়, পৃথিবীর প্রায় সব প্রধান বন্দরের সঙ্গেই মোংলা বন্দরের বাণিজ্য সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানত এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার জাহাজগুলো এই বন্দরে নোঙর করে থাকে। এ বন্দরটি দেশের আমদানি-রপ্তানির প্রসারে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখে আসছে। পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে সম্প্রতি মোংলা বন্দরকে ঘিরে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

এছাড়া ভারত, ভুটান ও নেপালের সাথে সরকারের চুক্তির ফলে এ সম্ভাবনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত, নেপাল, ভূটানকে মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ফলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এটি একটি বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পদ্মা সেতু চালু হলে ব্যবসায়ীরা মোংলা বন্দর ব্যবহারে উৎসাহিত হবেন। এ বিষয়কে সামনে রেখে বন্দরের আধুনিকায়নের জন্য কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এছাড়াও বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমকে গতিশীল করতে কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে।


 

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর হলেও কখনো কখনো এখানে ৫০/৬০টি জাহাজ নোঙর করতে দেখা যায়। তবে গত কয়েক মাসে বন্দরে জাহাজ আগমন তুলনামূলক ভাবে বেড়েছে।

সেই সাথে বেড়েছে রাজস্ব আয়। বন্দরের আউটার বারে ড্রেজিং সমাপ্ত হওয়ার কারনে বড় বড় জাহাজ সহজেই ভিড়তে পারছে। ইনারবারে ড্রেজিং শুরু হবে খু্ব শীঘ্রই। তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে নানা দিক দিয়েই বন্দরের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে এবং বন্দর পুনরায় সচল হয়েছে।  পদ্মা সেতু নির্মাণের সাথে এ বন্দরে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে কন্টেইনার ইয়ার্ড, সারফেস ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট, বন্দর ব্যবহারকারীদের জরুরী বার্তা সেবা (ভ্যাসেল ট্রাফিক মেনেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম), অত্যাধুনিক উদ্ধারকারী জাহাজ, ড্রেজিং ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন প্রকল্প। এছাড়া এ বন্দরে রয়েছে ১১টি জেটি, পণ্য বোঝাই ও খালাসের জন্য ৭টি শেড এবং ৮টি ওয়্যারহাউজ।

নদীর গভীরে রয়েছে অসংখ্য ভাসমান নোঙর। সাগর থেকে বন্দরে প্রবেশমুখ হিরণ পয়েন্ট নামক স্থানে রয়েছে বিদেশী নাবিকদের জন্য একটি রেস্ট হাউজ । ইতিমধ্যে বেসরকারী কিছু প্রতিষ্ঠানও মোংলা বন্দর কেন্দ্রিক নানা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। মোংলা বন্দর এখন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ব অর্থনীতির একটি টার্নিং পয়েন্ট হবে মোংলা বন্দর।



একটিভ নিউজ / ইসমা
×
সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

দেশের বৃহত্তম উন্নয়ন প্রকল্প পদ্মা সেতুর সবগুলো স্প্যান বসানো শেষ হয়েছে। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী ২০২২ সালের জুনে খুলে দেয়া হবে পদ্মা সেতু। তখন রাজধানী ঢাকার সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আসবে দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মোংলার। দেশের অর্থনীতিতে রচিত হবে এক নতুন অধ্যায়। পদ্মা সেতুর

Active News logo
    Active news app

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আজিজুর রহমান
সহ-সম্পাদক: বি, এম বাবলুর রহমান
উপদেষ্টা: এ‍্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উপদেষ্টা: জাহাঙ্গীর আকন্দ
প‍্যারামাউন্ট হাইটস, পল্টন, ঢাকা-১০০০।
টেলিফোন: ০২-৪৮৯৫৭৯৬৭
মোবাইল: ০১৭১৬-৪৬৫৬১৬
ইমেইল: activenewsoffice@gmail.com