ঢাকা, শুক্রবার, ২ মাঘ ১৪২৭, ১৫ জানুয়ারী, ২০২১

Facebook Twitter Youtube

Logo

সাতক্ষীরার তালায় হারিয়ে যেতে বসেছে দেশীয় প্রজাতির আখ

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির ইক্ষু (আখ)বিলুপ্তির পথে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে হাতেগোনা কয়েকটি ক্ষেতে দেখা মিলেছে দেশীয় প্রজাতির (ইক্ষু)।    সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আখের আবাদ কমে গেছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা আখের আবাদ কমিয়ে দিচ্ছেন কিন্তু কৃষকরা বলছেন ভিন্নকথা ,তাদের

মোঃ লিটন হুসাইনঃ জেলা প্রতিনিধি সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ০২:৩১
দেশীয়_প্রজাতির_আখ
দেশীয় প্রজাতির আখ

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির ইক্ষু (আখ)বিলুপ্তির পথে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে হাতেগোনা কয়েকটি ক্ষেতে দেখা মিলেছে দেশীয় প্রজাতির (ইক্ষু)।

 

 সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আখের আবাদ কমে গেছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা আখের আবাদ কমিয়ে দিচ্ছেন কিন্তু কৃষকরা বলছেন ভিন্নকথা ,তাদের ধারনা(কৃষক)দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দিন দিন খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে তার ফলে এখন ধান চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে তালার কৃষকরা তাছাড়া আখ একটি বাৎসরিক ফসল এই ফসলে চাষ অনেক বেশি লাভজনক কিন্তূ শুরু থেকে শেষপর্যন্ত যেতে ১২মাস সময় লাগে সেই সময়ে একই জমিতে কয়েক বার ধান চাষ সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা যায়।

সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় সাধারণত তিন প্রজাতির ইক্ষু(আখ)- (লতা জবা, কাঠোয়ারাও ডানটা প্রজাতির চাষ করেন কৃষকেরা।

সাতক্ষীরা জেলার তালাউপজেলায় ঘুরে দেখা গেছে, দাতপুর, মাগুরা, খলিশখালী ও শিরাশুনি গ্রামে হাতেগোনা কয়েকটি জমিতে দেশি প্রজাতির ইক্ষু(আখ)।

শিরাশুনি গ্রামের ইক্ষু(আখ) চাষী জাহাঙ্গীর শেখ বলেন আমি ৪০ শতক জমিতে ইক্ষু(আখ) চাষ করেছি । জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে আখের বীজ সংগ্রহ করে জমিতে রোপণ করতে হয়, প্রথমে ৪ টি করে গাছ একসাথে বাধতে হয়, (তাকে এক ঝাড় বলে) তারপর চার ঝাড় একসাথে বাঁধা হয়, পরবর্তীতে আবারও চার ঝাড়একসঙ্গে বাধতে হয়(তাকে ষোলঘর ঝাড় বলে) অন্যান্য ফসলের মত শুরু থেকে জৈব সার, পরবর্তীতে রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হয়।

এক বিঘা জমিতে ইক্ষু বা আখ চাষে প্রায় ৩০ হাজার টাকা উৎপাদন খরচ হয়, বিঘা প্রতি ২৫ থেকে ৩০ মণ গুড় উৎপাদন হয়, বর্তমান বাজার মূল্য ৭০ টাকা হারে বিক্রি করলে ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি হয়,তাছাড়া সেখান থেকে কিছু জ্বালানি যা ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বিক্রি হয়, সর্বসাকুল্যে এক লক্ষ টাকা মত বছর শেষে হাতে আসে। আমি এখনো প্রায় বিলুপ্তির পথে এই ফসল টি ধরে রেখেছি কারণ বছর শেষে এককালীন নগদ কিছু অর্থ পাওয়া যায়।

 

মাগুরা গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান বলেন, গরমের দিনে আখের রসের অত্যন্ত চাহিদা থাকে, গুড় এবং রস মানবদেহের অত্যন্ত উপকারী একটি প্রদেহ। দাদপুর গ্রামের কৃষক তবিবুর রহমান জানান দেশের ঋতু পরিবর্তন এবং খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং একাধিক ফসল উৎপাদন করার জন্য ধান চাষ বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছি।

তালার একাধিক কৃষক মনে করেন সরকারী ভাবে আমাদের ইক্ষু লোন বৃদ্ধি করলে এবং অন্যান্য ফসলের প্রাশিক্ষণের মতো ইক্ষু চাষের জন্য উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করলে আমারা(কৃষকরা) আবার আখ(ইক্ষু)চাষ করতে পারতাম।

 

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি উপ সহকারী তালা পরিতোষ কুমার বিশ্বাস অ্যাক্টিভ নিউজকে বলেন সর্বশেষ তথ্য মতে তালা উপজেলায় ৬৫ হেক্টর জমিতে দেশীয় প্রজাতির ইক্ষু (আখ) চাষ হয়েছে,আমারা প্রায় ১০বিঘা জমিতে ইক্ষু চাষের জন্য সার ও ইক্ষু বীজ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে,তাছাড়া এ বছর পাবনার ঈশ্বরদী পুর একটি সংগঠন মাধ্যম তালার প্রায় ১০০ জন কৃষকের প্রশিক্ষণ প্রদান করেছি,সরকারি সকল সুযোগ-সুবিধা কৃষকের মাঝে প্রদান করা সহ তাদের সকল সহায়তা প্রদান করা হবে।



একটিভ নিউজ / ইসমা
×
সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির ইক্ষু (আখ)বিলুপ্তির পথে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে হাতেগোনা কয়েকটি ক্ষেতে দেখা মিলেছে দেশীয় প্রজাতির (ইক্ষু)।    সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলায় আখের আবাদ কমে গেছে। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় কৃষকেরা আখের আবাদ কমিয়ে দিচ্ছেন কিন্তু কৃষকরা বলছেন ভিন্নকথা

Active News logo
    Active news app

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আজিজুর রহমান
সহ-সম্পাদক: বি, এম বাবলুর রহমান
উপদেষ্টা: এ‍্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উপদেষ্টা: জাহাঙ্গীর আকন্দ
প‍্যারামাউন্ট হাইটস, পল্টন, ঢাকা-১০০০।
টেলিফোন: ০২-৪৮৯৫৭৯৬৭
মোবাইল: ০১৭১৬-৪৬৫৬১৬
ইমেইল: activenewsoffice@gmail.com