ঢাকা, মঙ্গলবার, ১২ মাঘ ১৪২৭, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১

Facebook Twitter Youtube

Logo

৪৬ বছর ধরে ভাত খান না তিনি

একেএম ফজলুল হক। তিনি একজন সাধক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা । শরীর পাতলা ও লিকলিকে গড়নের। মুখভর্তি সাদা দাড়ি ও গোফ। মাথায় লম্বা চুল। চাদর দিয়ে শরীর সবসময় ঢেকে রাখেন। বয়স ৮০ ছুঁইছুঁই। সাধনার কারণে গত ৪৬ বছর তিনি ভাত খান না। ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ সাধকের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের ভীমপুর

ডেস্ক: একটিভ নিউজ:
প্রকাশিত: শনিবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০২১, ১১:৩১
সাধক
একেএম ফজলুল হক: সংগৃহীত ছবি

একেএম ফজলুল হক। তিনি একজন সাধক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা । শরীর পাতলা ও লিকলিকে গড়নের। মুখভর্তি সাদা দাড়ি ও গোফ। মাথায় লম্বা চুল। চাদর দিয়ে শরীর সবসময় ঢেকে রাখেন। বয়স ৮০ ছুঁইছুঁই।

সাধনার কারণে গত ৪৬ বছর তিনি ভাত খান না। ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন স্থানে।

এ সাধকের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের ভীমপুর গ্রামে।

ছোটবেলা থেকেই তার চালচলন ছিল ভিন্নরকম। ঘুরে বেড়াতেন বিভিন্ন জায়গায়। পড়াশোনা ঠিকমতো করতেন না। ক্লাস টপকে নবম শ্রেণিতে, এরপর দশম শ্রেণিতে পড়েন।

দেশে শুরু হয় যুদ্ধ। তখন বয়স প্রায় ২৫ বছর। যুদ্ধের সময় ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিলেন। যুদ্ধ করলেন দেশের জন্য। এরপর ১৯৭২ সালে মেট্রিক পাশ করেন।

আরো পড়ুন: চটপটি খেতে গিয়ে খুন হলো সিফাত

তিনি ১৯৭৪ সালে বিয়ে করেন চুয়াডাঙ্গা জেলায়। সাধনার কাজে ভবঘুরের মতো ঘুরে বেড়ানোর সময় ওই পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এরপর বিয়ে। দাম্পত্য জীবনে পাঁচ ছেলেমেয়ে। বয়স যখন ৩৪ বছর তখন গুরুজির নির্দেশে ভাত খাওয়া ছেড়ে দেন।

এরপর থেকে তিনি ৪৬ বছর ভাত খান না। ধান, গম, যব ও ভুট্টা থেকে উৎপাদিত কোনো কিছুই খান না। কারণ এতে গুরুর নিষেধ রয়েছে। এরপর আর কখনো খাওয়ার চেষ্টাও করেননি।

ভাত খেতে গেলে নাকি তার নাকে পচা একটা গন্ধ লাগে। যা সহ্য করতে পারেন না। এখন পর্যন্ত সুস্থ ও সবল রয়েছেন। ভাতের পরিবর্তে শাক, সবজি ও ফল খেয়ে থাকেন।

আরো পড়ুন: ভাড়ায় স্বামী মিলছে রাজধানীতে

মুক্তিযোদ্ধা ও  সাধক একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার বয়স যখন ১০ বছর তখন থেকেই সাধনার সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। আমাকে সাধনার কাজে উৎসাহ জুগিয়েছেন গুরু শাহ মছির উদ্দিন চিশতি। সাধনাক্ষেত্র ভারতের আজমির শরীফ খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি তরিকা।

সেখানে চার বছর ছিলাম। সাধনার ফলে অনেক দূর এগিয়েছি। আল্লাহ আমাকে অনেক কাছে টেনে নিয়েছে। আমার তিনটা ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। আমার ভবিষ্যতে আর কোনো ইচ্ছা নেই। বিভিন্ন মাজারে ঘুরে বেড়াই মানুষকে সুন্দর ও সত্য বলার জন্য।’

সাধক একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘সাধনা নিয়ে সব সময় থাকি।

কেউ যদি কখনো আমাকে স্মরণ করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তার সঙে আমার দেখা হবে ইনশাল্লাহ।’

আরো পড়ুন: ২টি কালো বিষধর সাপের ‘লড়াই’ (ভিডিও)

সাধক একেএম ফজলুল হকের নাতি ফয়সাল হোসেন বলেন, ‘সারাদেশ তিনি হন্যি হয়ে ঘুরে বেড়ান। কোথাও স্থির থাকেন না। তিনি ভাত না খেলেও শাক-সবজি ও ফল খেয়ে থাকেন। তাকে ভাত খাওয়ার জন্য আমরা অনেক জোরাজুরি করেছি। কিন্তু তার এক কথা—না।



একটিভ নিউজ / সাইফুল বারী
×
সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

একেএম ফজলুল হক। তিনি একজন সাধক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা । শরীর পাতলা ও লিকলিকে গড়নের। মুখভর্তি সাদা দাড়ি ও গোফ। মাথায় লম্বা চুল। চাদর দিয়ে শরীর সবসময় ঢেকে রাখেন। বয়স ৮০ ছুঁইছুঁই। সাধনার কারণে গত ৪৬ বছর তিনি ভাত খান না। ঘুরে বেড়ান দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ সাধকের বাড়ি নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নের

Active News logo
    Active news app

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আজিজুর রহমান
সহ-সম্পাদক: বি, এম বাবলুর রহমান
উপদেষ্টা: এ‍্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উপদেষ্টা: জাহাঙ্গীর আকন্দ
প‍্যারামাউন্ট হাইটস, পল্টন, ঢাকা-১০০০।
টেলিফোন: ০২-৪৮৯৫৭৯৬৭
মোবাইল: ০১৭১৬-৪৬৫৬১৬
ইমেইল: activenewsoffice@gmail.com