ঢাকা, রবিবার, ৪ মাঘ ১৪২৭, ১৭ জানুয়ারী, ২০২১

Facebook Twitter Youtube

Logo

শিবগঞ্জে শখের বসে হরিণ পালন করে মোখলেছুরের ভাগ্য বদল

বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলায় আলহাজ্ব মোখলেছুর রহমান  শখের বশে তার বাড়ির কাছে চাতালের একপাশে গড়ে তুলেছেন হরিণ খামার।শখের বশে শুরু করলেও বর্তমানে রীতিমতো বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়েছে এটি। উপজেলার একমাত্র খামার হওয়ায় এলাকার অনেকেই দেখতে আসেন প্রতিনিয়ত। তার খামারে বর্তমানে ১০টি পূর্ণবয়স্ক হরিণ আছে। এর মধ্যে কয়েকটি বাচ্চাও

বগুড়া জেলা প্রতিনিধি: এমদাদুল হক
প্রকাশিত: শনিবার, ০৯ জানুয়ারী, ২০২১, ০৮:৫২
ভাগ্যবদল

বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলায় আলহাজ্ব মোখলেছুর রহমান  শখের বশে তার বাড়ির কাছে চাতালের একপাশে গড়ে তুলেছেন হরিণ খামার।শখের বশে শুরু করলেও বর্তমানে রীতিমতো বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়েছে এটি। উপজেলার একমাত্র খামার হওয়ায় এলাকার অনেকেই দেখতে আসেন প্রতিনিয়ত। তার খামারে বর্তমানে ১০টি পূর্ণবয়স্ক হরিণ আছে। এর মধ্যে কয়েকটি বাচ্চাও দিয়েছে। বেশ কয়েকবার ভালো দামে হরিণ বিক্রি করেছেন মোখলেছুর।

শখের বশে মোখলেছুর রহমান ২০০৩ সালে রাজশাহীর বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করেন।

 

আরো পড়ন:স্বামীর করোনা স্ত্রী বাপের বাড়ি চলে যাওয়ায় সুস্থ হয়ে বউ তালাক!

এরপর রাজশাহী চিড়িয়াখানা থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকায় চিত্রা প্রজাতির একটি পুরুষ ও একটি নারী হরিণ ক্রয় করে লালন-পালন শুরু করেন।ছোট বেলা থেকেই তিনি বন্যপ্রাণী ভালোবাসতেন। তিনি মনে মনে কল্পনা করতেন উট, দুম্বা এবং হরিণ পালনের।

২০০৩ সালে তার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয় দু’টি হরিণ লালন-পালনের মাধ্যমে। শখের বসে দুই হরিণ পালন করতে গিয়ে সংখ্যায় বাড়তে থকে হরিণ। এখন গড়ে তুলেছেন খামার।  নিয়ম মেনে খামার গড়ে এখন হরিণ বিক্রি করার পর তার খামারে আছে ১০টি হরিণ।

প্রায় ১৭ বছর ধরে ধীরে ধীরে হরিণ খামারে হরিণের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা পার্ক, পিকনিক স্পটের জন্য হরিণগুলো কেনা হচ্ছে।

সম্প্রতি মোখলেছুরের খামারে গিয়ে দেখা যায়, আনন্দের সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছে একপাল হরিণ। নীরবতায় নিজেদের আনন্দে ছুটে চলছে আবার একটু শব্দ পেলেই হরিণগুলো ছুটে যাচ্ছে ঘরের মধ্যে। হরিণগুলো এখন ভুসি, লতাপাতা, ঘাস খাচ্ছে। খাচ্ছে আর নির্ধারিত ঘরের মধ্যে লাফালাফি করছে। একে অপরের সঙ্গে মারামারিও করছে।

কেও কেও আবার সঙ্গীনির সাথে মধুর সম্পর্কে মিলিত হচ্ছে।

আরো পড়ন:মায়ের মৃত্যুর পর বাবার ধর্ষণে গর্ভবতী মেয়ে

খামারের কর্মীরা জানান, হরিণ ভূষি, কাঁঠালপাতা, চালের কুঁড়া, কলাগাছ, পাকুড় গাছের পাতা, ঘাস, এমনকি ধানও খায়। ছাগল পালনের চেয়ে খরচ একটু বেশি তবে হরিণ পালনে গরু পালনের চেয়ে খরচ কম। ছয় মাস পর একটি হরিণের ওজন হয় ২০ কেজির বেশি।

হরিণ খামারি মোখলেছুর রহমান জানান, বন বিভাগের অনুমতিতে ১৭ বছরে কয়েকটি জেলায় বেশ কয়েক জোড়া হরিণ বিক্রি করেছেন। প্রথম দিকে প্রতিটি ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি হলেও এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। একটি হরিণ একটি করে বাচ্চা দিয়ে থাকে।

হরিণ নিজে থেকেই পরিষ্কার থাকে বলে তাদের রোগবালাই কম।উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা হরিণগুলোর চিকিৎসার খোঁজ নিয়ে থাকেন। হরিণ পালন কিছুটা সহজ হলেও এর লাইসেন্স পাওয়া কঠিন। তার দেখাদেখি হরিণ পালনে অনেকেই আগ্রহী হলেও লাইসেন্স না থাকায় হরিণ পালন করতে পারছেন না। হরিণ পালনের ফি, লাইসেন্স নবায়ন ফি কমাতে হবে। তাহলে হরিণ খামার গড়ে উঠবে আরও বেশি বলে জানান তিনি।

আরো পড়ন:নায়িকা হতে এসে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

এবিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. জাফরিন রহমান বলেন, প্রতিনিয়ত ওই খামারের হরিণ গুলোর খোজ খবর নেয়া হচ্ছে এবং পরামর্শসহ প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করছে উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ।



একটিভ নিউজ / তুষার
×
সারাদেশ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলায় আলহাজ্ব মোখলেছুর রহমান  শখের বশে তার বাড়ির কাছে চাতালের একপাশে গড়ে তুলেছেন হরিণ খামার।শখের বশে শুরু করলেও বর্তমানে রীতিমতো বাণিজ্যিক খামারে পরিণত হয়েছে এটি। উপজেলার একমাত্র খামার হওয়ায় এলাকার অনেকেই দেখতে আসেন প্রতিনিয়ত। তার খামারে বর্তমানে ১০টি পূর্ণবয়স্ক হরিণ আছে। এর

Active News logo
    Active news app

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আজিজুর রহমান
সহ-সম্পাদক: বি, এম বাবলুর রহমান
উপদেষ্টা: এ‍্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উপদেষ্টা: জাহাঙ্গীর আকন্দ
প‍্যারামাউন্ট হাইটস, পল্টন, ঢাকা-১০০০।
টেলিফোন: ০২-৪৮৯৫৭৯৬৭
মোবাইল: ০১৭১৬-৪৬৫৬১৬
ইমেইল: activenewsoffice@gmail.com