• ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১, ২১ ফাল্গুন ১৪২৭
Active News 24

‘করোনার টিকা না নিলে বিভাগীয় মামলা’


| ডেস্ক: প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৫:৪৮ পিএম ‘করোনার টিকা না নিলে বিভাগীয় মামলা’

করোনা ভাইরাসের টিকা না নিলে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে। নির্দেশনা জারি করা হয়েছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সব শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য । সম্প্রতি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয় উপজেলা মাধ্যমিক অফিস থেকে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওই নির্দেশনায় স্বাক্ষর করেছেন।

আদেশটি এরই মধ্যে মেইল পাঠিয়ে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জানানো হয়েছে। এদিকে এমন আদেশের কারণে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই এ আদেশকে এখতিয়ারবহির্ভূত উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আবার কেউ কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না কর্মক্ষেত্রে হয়রানির আশঙ্কার কারণে ।

আরো পড়ুন: মুন্সীগঞ্জে স্কুল ছাত্রীকে গণর্ধষণ করে ভিডিও ধারণ

কলেজ শিক্ষক সমিতির বিভিন্ন নেতারা বলছেন, টিকা নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। সরকার বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকেও এ ধরনের নির্দেশনা দেয়া হয়নি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কীভাবে এমন আদেশ দিলেন তা বোধগম্য নয়। তার দেয়া ওই নির্দেশনা অনতি বিলম্বে প্রত্যাহার না হলে আদালতে যাওয়ার পাশাপাশি কঠোর আন্দোলনের কথা জানিয়েছেন তারা। টিকা গ্রহণের আদেশে লেখা রয়েছে, নেছারাবাদ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন আদেশটিতে স্বাক্ষর করেন।

তাতে বলা হয়েছে যে, উপজেলায় স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় কর্মরত সব শিক্ষক ও কর্মচারীকে জানানো যাচ্ছে যে, দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর টিকা প্রদানের কার্যক্রম চলমান। তারই প্রেক্ষিতে উপজেলার স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় কর্মরত সব শিক্ষক এবং কর্মচারীকে আবশ্যিকভাবে ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ করতে হবে। এরপর একটি ছক মোতাবেক তথ্য ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়।

আরো পড়ুন: ধর্ষণ অভিযোগ তদন্তে গিয়ে মীমাংসার সময় বেঁধে দিল পুলিশ

এরপর লেখা রয়েছে, যারা নির্দেশনা সত্ত্বেও টিকা গ্রহণ করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর নির্দেশনা রয়েছে। প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিতে অনুরোধ করা হলো। আদেশের নিচের দিকে ছকে ক্রমিক, শিক্ষক-কর্মচারীর নাম, পদবি, টিকাগ্রহণ করেছেন কিনা? মন্তব্য লেখা কোট করা ছিল। এরপর ছকের নিচে লেখা ছিল বিষয়টি অতীব জরুরি। তারিখ দেয়া ছিল ১৩-২-২০২১। এতে স্মারক নম্বর দেওয়া রয়েছে -৩৭. ১০.৭৯৮৭.০০.১৬.৭.৯৪-৩৫(৯৯)।

আরো পড়ুন: কুমিল্লায় স্কুলের বাথরুমের সামনে তরুণীকে ধর্ষণ, দেখে ফেললো রাজমিস্ত্রী

আদেশে উপসচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি ১১/০২/২০২১ তারিখের ৩৭.০০.০০০০.০৬১.৯৯.১০৬.১৭.৯৬ নম্বর স্মারক ও সিনিয়র সহকারী সচিব শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্মারক নম্বর ৩৭.০০.০০০০.০৬৫.৯৯.০০৬.২০২০-৫৩ তারিখঃ ৩১-০১-২০২১ এবং পরিচালক মাউশি বরিশাল অঞ্চল স্মারক নম্বর-মাউশি/বরি/২০২১/৪২ তারিখ:০৪-০২-২০২১ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নেছারাবাদ, ১০-০২-২০২১ তারিখের মুঠোফোন বার্তা সূত্র হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

একটিভ নিউজ