×
  • ঢাকা
  • শনিবার, ০৮ মে, ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮

বরিশালে মায়ের সামনে মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২১, ১০:৫৮ পিএম বরিশালে মায়ের সামনে মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা
সংগৃহীত

বরিশাল জেলার হিজলা উপজেলার বড় জালিয়া ইউনিয়নের শ্রীপুর  এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম গ্রামে রেহেনা বেগম (৪৫)। এসময় তাকে বাচাঁতে তার মা নুর জাহান বেগম (৬৫) এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

রবিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত রেহেনা বেগম শ্রীপুর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের স্ত্রী ছিলেন। তিনি দুই সন্তানের জননী।

হামলায় আহত রেহেনা বেগমের মা নুর জাহান বেগম একই এলাকার মৃত আব্দুর রব হাওলাদারের স্ত্রী।

শ্রীপুর গ্রামের মৃত রহিম মল্লিকের ছেলে হামলাকারী তামিম মল্লিক।

স্থানীয় ও এলাকাবাসী  জানান, রেহানা বেগমের স্বামী আমির হোসেন কয়েক বছর আগে মারা যান। এরপর বাবা বাড়িতে মা নুর জাহান বেগমের সঙ্গে থাকতেন তিনি। তাদের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী তামিম মল্লিকের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছিল। ৪-৫ দিন আগে বিরোধপূর্ণ ওই জমিতে তামিম মল্লিক যান। এসময় রেহানা বেগম জমি থেকে তাকে বেরিয়ে যেতে বলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তামিম মল্লিক তাকে হত্যার হুমকি দেন।

আরো পড়ুন: প্রবাসীর বিচ্ছিন্ন হাত মিলল ধানক্ষেতে

প্রত্যক্ষদর্শীরা সংবাদমাধ্যমকে জানান, রবিবার সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে রেহানা বেগমের ওপর হামলা করেন তামিম মল্লিক। তাকে একের পর এক আঘাত করেন। এসময় রেহেনা বেগমকে বাচাঁতে তার মা নুর জাহান বেগম এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। মা ও মেয়ে দুজনই একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর হামলাকারী তামিম মল্লিক দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। স্থানীয়রা তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে রেহেনা বেগমকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নুর জাহান বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।

আরো পড়ুন: বিয়ের আধাঘণ্টা পরই কিশোরী বধূ হলেন লাশ

এ বিষয়ে হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অসীম কুমার সিকদার জানান, জমি বিরোধের কারণে এ হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পরপরই অভিযুক্ত তামিম মল্লিক আত্মগোপন করেছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। রেহানা বেগমের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
 

সাইফুল বারী / একটিভ নিউজ