×
  • ঢাকা
  • সোমবার, ১৭ মে, ২০২১, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

লকডাউনে পুলিশের লাঠি চার্জ, আহত ১৫ ব্যবসায়ী


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ১৪, ২০২১, ০৯:১৫ পিএম লকডাউনে পুলিশের লাঠি চার্জ, আহত ১৫ ব্যবসায়ী
সংগৃহীত

লকডাউনের অজুহাতে মাছ ও কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ীদের ওপর পুলিশ লাঠিচার্জ করলে ১৫ ব্যবসায়ী আহত হয়েছেন। ঘটনার পর আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়। এরপর পুলিশের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে সড়কে বিক্ষোভ করেছে ব্যবসায়ীরা।

বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমতলী পৌর শহরের বাঁধঘাট মাছ ও কাঁচা বাজারে ঘটনা ঘটেছে।

এদিকে আমতলী থানার এসআই আব্দুল মান্নান ব্যবসায়ীদের ওপর লাঠিচার্জের কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, লকডাউনে নিয়ম মেনে ব্যবসা করতে বলায় ব্যবসায়ীরা পুলিশের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে। তাই নিয়ম মানাতে ব্যবসায়ীদের ভয়ভীতি দেখিয়েছি।

ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিবোধে সরকার ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে। মাছ ও কাঁচা বাজার সকাল ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা রয়েছে। ওই নির্দেশনা অনুসারে বুধবার আমতলী পৌর শহরের মাছ ও কাঁচা বাজার ব্যবসায়ীরা দোকান খুলে বসে।

আরো পড়ুন: নোয়াখালীতে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টা

বাঁধঘাট মাছ ও কাঁচা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মঞ্জু মিয়ার দাবি, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমতলী থানার এসআই আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে দুই পুলিশ সদস্য বাজারের ব্যবসায়ীদের ওপর অতর্কিত লাঠিচার্জ শুরু করেন। এ সময় বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

অন্যদিকে ওই বাজারের ব্যবসায়ী রাজা মিয়া ও বাতেনের দাবি, মানুষ হুড়োহুড়ি করে পুলিশের হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করে। এতে ওই পুলিশ আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীদের ওপর চড়াও হয়। এক পর্যায় ব্যবসায়ীরা পুলিশের লাঠিচার্জ থেকে রক্ষায় সড়কে নেমে বিক্ষোভ শুরু করে। পরে পুলিশ শান্ত হয়। পুলিশের হামলায় অন্তত ১৫ জন ব্যবসায়ী আহত হয়েছে।

কাঁচার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান হিমু গাজী এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

আরো পড়ুন: প্রেমে বাধা দেওয়ায় সাতজনকে পিটিয়ে আহত

তিনি বলেন, নিয়ম মেনেই কাঁচা ও মাছ বাজার ব্যবসায়ীরা দোকান খুলেছে। কিন্তু পুলিশের এসআই আব্দুল মান্নান ও তার সহযোগীরা ব্যবসায়ীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এতে অনেক ব্যবসায়ী আহত হয়েছে। আমি এ ঘটনার বিচার দাবি করছি।

আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, লকডাউনে দোকান খোলা নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে একটু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, তা সমাধান হয়েছে।

অন্যদিকে আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আসাদুজ্জামান এ ঘটনার বিষয়ে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল গিয়ে ব্যবসায়ীদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সরকারি নির্দেশনা মেনে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

রেজাউল করিম / একটিভ নিউজ