×
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৯ মে, ২০২১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

কাদের মির্জার ছেলেকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২১, ০৬:২০ পিএম কাদের মির্জার ছেলেকে মারধরের ভিডিও ভাইরাল

নোয়াখালী জেলার  বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ছেলে তাশিক মির্জা ও পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি জিসানকে মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি ফেসবুকে এখন ভাইরাল।

তাদের মারধরের বিচারের দাবি জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তবে এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেননি তাশিক মির্জা ও জিসান।

ভিডিওতে দেখা যায় যে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেলের সঙ্গে থানার সামনে কথা বলছেন তাশিক মির্জা। এ সময় তাশিক মির্জার ওপর হামলা চালান রুমেলের ভাতিজা জয় চৌধুরী ও মঞ্জিল চৌধুরীসহ কয়েকজন। 

এ সুযোগে তাশিক মির্জার সাথে থাকা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ জিসান ও চরপার্বতী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিনের মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করেন রুমেলের লোকজন। তাদের আঘাতে জিসান মাটিতে পড়ে যান। মারামারির একপর্যায়ে তাশিক মির্জাকে নিয়ে গার্লস স্কুলের গলির দিকে চলে যান জিসান, বোরহান ও তাদের সঙ্গীরা।

আরো পড়ুন: গাজীপুরে যুবককে প্রস্রাব খাওয়ানোর পর পিটিয়ে হত্যা

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আজম পাশা চৌধুরী রুমেল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সেদিন তাশিক মির্জার নেতৃত্বে থানার সামনে কিছু নেতাকর্মী আসে। তারা আমার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদের মুখোমুখি হলে উভয়ের হাতাহাতি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সেখানে তাশিকের সঙ্গে আমার ছেলেদের মারামারি করতে দিইনি। পরে তাশিক সেখান থেকে চলে যায়।

জানতে চাইলে তাশিক মির্জা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, উভয় পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হলে আমি রুমেল চৌধুরীকে জড়িয়ে ধরে রাখি। তখন রুমেল চৌধুরীর ৪-৫ জন নেতাকর্মী আমাকে ও আমার কর্মীদের ঘিরে ধরে মারতে থাকে। এরপর আমরা সেখান থেকে চলে আসি।

এরই মধ্যে শনিবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টা ৫ মিনিটে কাদের মির্জার মোবাইল ফোনে বিদেশি একটি নম্বর থেকে কল করে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আবদুল কাদের মির্জা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, একটি নম্বর থেকে আমার ফোনে কল আসে। ফোন রিসিভ করে হ্যালো বললে ওপাশ থেকে বলা হয়, আমি ও ছেলে তাশিক মির্জাসহ আমাদের সপরিবারে হত্যা করা হবে। এরপর আমি আর কোনো কথা না বলে সংযোগ কেটে দিই। বিষয়টি থানাকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।

সাইফুল বারী / একটিভ নিউজ