×
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ মে, ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

করোনা পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকা!


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ২৩, ২০২১, ০৭:৪৪ পিএম করোনা পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকা!

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে করোনার উপসর্গ থাকা রোগীদের নমুনা সংগ্রহে জনপ্রতি ৫০০ টাকা করে নেয়ার ঘটনায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে নমুনা দিলে ১০০ এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীর বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করলে ৩০০ টাকার সরকার নির্ধারিত ফি নেয়ার কথা থাকলেও এর কোনটিই মানা হচ্ছে না কুমুদিনী হাসপাতালে।

এ বিষয়ে সূত্র জানায়, কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ গত ১৩ এপ্রিল ছয়, ১৮ এপ্রিল পাঁচ এবং বৃহস্পতিবার(২২ এপ্রিল)১০ রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। নমুনার সঙ্গে প্রত্যেকের ১০০ টাকা করে ফি জমা দেয়। বাকি ৪০০ টাকা কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খরচের জন্য রেখে দেয়।

আরো পড়ুন: বৃদ্ধের গায়ে হাত তুলে এলাকাসীর চড়-থাপ্পড় খেলেন মেয়র

এদিকে কুমুদিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের কাওয়ালজানি গ্রামের আমেনা আক্তারের মেয়ে জামাই মো. মনির হোসেন বাড়তি ফে নেয়ার বিষয়ে জানান, শাশুড়ির করোনা পরীক্ষার জন্য কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ৫০০ টাকা ফি নিয়েছে।

অন্যদিকে বাড়তি ফি নেয়ার বিষয়ে একই কথা জানান বাসাইল উপজেলার করটিয়া এলাকার সুমিতা রানীর ছেলে সন্তোষ, সখিপুর উপজেলার সুরবান সরকারের মেয়ে অরুনা সরকার, মির্জাপুর উপজেলার ভাদগ্রাম ইউনিয়নের কুইচতারা গ্রামের শহরভানুর মেয়ে বেদেনা ও মেয়ের জামাই মাহমুদ। কুমুদিনী হাসপাতালে তাদের প্রত্যেকেরই রোগী ভর্তি রয়েছেন।

আরো পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল চাচার

এ বিষয়ে কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক বলেন, ‘করোনা উপসর্গ থাকা রোগীদের নমুনা সংগ্রহের কাজে কেউ আগ্রহ দেখায় না। এছাড়া যাতায়াত খরচের বিষয় আছে। ৫০০ টাকা করে নেয়া হলেও নমুনার সঙ্গে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ১০০ টাকা ফি জমা দেয়া হয়। বাকি টাকা নমুনা সংগ্রহ ও যাতায়াত খরচের জন্য রাখা হয়।’

কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় এ বিষয়ে জানান, বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) বিকেল থেকে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য ৫০০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে সরকার নির্ধারিত ফি ১০০ টাকা উল্লেখ করে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. শাহাবুদ্দিন খান জানান, কুমুদিনী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সরকারি ফি ছাড়া তাদের খরচ বাবদ অতিরিক্ত ১০০ টাকা করে নিতে পারে। এর বেশি নিলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রেজাউল করিম / একটিভ নিউজ