×
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
Active News 24

আল্লাহ যাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তাদেরকেই বেশি বেশি পরীক্ষা করেন


হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী | একটিভ নিউজ প্রকাশিত: জুন ২, ২০২১, ০৩:৩৫ পিএম আল্লাহ যাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তাদেরকেই বেশি বেশি পরীক্ষা করেন

আল্লাহ যাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তাদেরকে তিনি বেশি বেশি পরীক্ষা করেন। আমরা জানি আমরা যখন আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করে কিছু চাই সেটা আল্লাহ পাক পছন্দ করেন। কিন্তু একই সমস্যার কথা আল্লাহর কাছে অনেক দিন বলার পরেও কেন তিনি বান্দার দোয়া কবুল করেন না।

আল্লাহ কি যাদেরকে ভালোবাসেন তাদেরকে বেশি পরীক্ষার মাঝে ফেলেন? আল্লাহ যাদেরকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন তাদেরকে তিনি বেশি বেশি পরীক্ষা করেন।

আল্লাহ তাঁর পছন্দের বান্দাদের বিপদে ফেলার কারণ।

আমরা যদি সকল নবীদের জীবনের দিকে লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো তারাই ছিলেন আল্লাহর সব থেকে পছন্দের এবং তারাই সব সময় কষ্টের মাঝে (পরীক্ষার) ছিলেন। এমনকি তাদের জীবন ছিল সব থেকে বেশি কঠিন। প্রত্যেকটা মানুষের উচিত পরীক্ষার সময় আল্লাহর অবাধ্য কিছু না করা। আল্লাহর আদেশ গুলো ভালো করে পালন করা। ধৈর্য ধারণ করা। তাহলে আল্লাহ পাক অবশ্যই কষ্টগুলোকে দূর করে দেবেন।

পবিত্র কোরআন শরীফে আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন, আর নিশ্চয়ই আমরা ভীতি, অনাহার, প্রাণ ও সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে এবং উপার্জন ও আমদানী হ্রাস করে তোমাদের পরীক্ষা করব। এ অবস্থায় যারা সবর করে। এবং যখনই কোনো বিপদ আসে বলে, আমরা আল্লাহর জন্য এবং আল্লাহর দিকে আমাদের ফিরে যেতে হবে। তাদেরকে সুসংবাদ দিয়ে দাও। তাদের রবের পক্ষ থেকে তাদের ওপর বিপুল অনুগ্রহ বর্ষিত হবে, তার রহমত তাদেরকে ছায়াদান করবে এবং এই ধরনের লোকরাই হয় সত্যানুসারী। ( সূরা বাকারা ১৫৫-১৫৭)

আল্লাহ পাক আসলে এই দুনিয়ার জীবনে একজন মানুষকে জান্নাতের উপযোগী করে তোলেন। তাই তিনি মানুষকে কিছু পরীক্ষা দেন। এবং যারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় আল্লাহপাক তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন।

তাই মানুষের উচিত বিপদে পড়লে আল্লাহ পাকের সাহায্য চাওয়া। এবং তার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা। আল্লাহ পাক মানুষকে তাদের ঈমানের স্তর অনুযায়ী করে পরীক্ষা করেন। একজন নবী বা একজন সাহাবী যে পরীক্ষা দিয়েছেন একজন সাধারণ মানুষের পরীক্ষা তেমন নয়। একজন নবীর স্তরও যেমন উপরে তাই তার পরীক্ষার বিষয়টিও অনেক কঠিন। যা একজন সাধারণ মানুষের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব নয়।

পবিত্র কোরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক আরো ইরশাদ করেছেন, কিন্তু মানুষের অবস্থা হচ্ছে এই যে, তার রব যখন তাকে পরীক্ষায় ফেলেন এবং তাকে সম্মান ও নিয়ামত দান করেন তখন সে বলে, আমার রব আমাকে সম্মানিত করেছেন। আবার যখন তিনি তাকে পরীক্ষায় ফেলেন এবং তার রিযিক তার জন্য সংকীর্ণ করে দেন তখন সে বলে, আমার রব আমাকে হেয় করেছেন। কখনোই নয়, বরং তোমরা এতিমের সাথে সম্মানজনক ব্যবহার কর না। ( সূরা আল ফজর : ১৫-১৭)

ইউসুফ / একটিভ নিউজ