×
  • ঢাকা
  • শনিবার, ০৮ মে, ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮

করোনা রোগীর শেষ ভরসা ‘অ্যাকটেমরা’ ইনজেকশন সংকট


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২১, ১১:১৯ এএম করোনা রোগীর শেষ ভরসা ‘অ্যাকটেমরা’ ইনজেকশন সংকট

করোনায় আক্রান্ত মুমূর্ষু রোগীর শেষ ভরসা হিসেবেই দেখা হয় অ্যাকটেমরা ইনজেকশনকে। এক্ষেত্রে এক ডোজ 'অ্যাকটেমরা'য় সুফল মিললেও দেখা দিয়েছে ইনজেকশন সংকট। এক ডোজের দাম প্রায় অর্ধ লাখ টাকার মত হলেও বিপণন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও ফিরতে হচ্ছে খালি হাতে। এদিকে ইনজেকশনটির সরবরাহ বাড়াতে সরকারি হস্তক্ষেপ দাবি ভুক্তভোগীদের।

ইনজেকশনটি নিতে আসা এক যুবক জানান, সকাল ৮টা থেকে অপেক্ষা করে আছি, এখানে এসে জানতে পারলাম রেজিস্ট্রেশন করতে হবে তারপর কার্ড দিবে। এরপর ইনজেকশনটা পাব। এখানে সকলেই দুইটা প্রেশারে আছি, একদিকে জানি না কখন পাব, অপরদিকে হাসপাতাল থেকে তাড়া দিচ্ছে রোগীর অবস্থা ভালো না। টাকার কথা বাদই দিলাম।  

আরো পড়ুন: শেবাচিমে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ করোনা রোগীর মৃত্যু

অ্যাকটেমরা মূলত আথরাইটিজ ও প্রদাহে ব্যবহার জন্য। এর জেনেটিক নাম টসিজলিজুমাব। উহানে প্রথম করোনা রোগীর ক্ষেত্রে ইনজেকশনটি ব্যবহারে সুফল মেলার খবর পাওয়া যায়। ধীরে ধীরে আমাদের দেশেও বাড়ছে এর ব্যবহার। 

ব্যবহার বাড়লেও তবে প্রস্তুককারী প্রতিষ্ঠান রোশ-এর একমাত্র সরবরাহকারী রেডিয়্যান্ট হিমশিম খাচ্ছে ওষুধটি সরবরাহ করতে। যদিও কী পরিমাণ মজুদ আছে কিংবা বিপণনের অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে নারাজ কর্তৃপক্ষ।

আরো পড়ুন: বিশ্বে করোনায় মৃত্যু ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ছাড়াল

এদিকে চিকিৎসকরা বলছেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ কিংবা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা না থাকলেও বিশেষ ক্ষেত্রে এ ওষুধ ব্যবহারে সুফল মিলেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এক ডোজ কিংবা দ্বিতীয় ডোজের মুমূর্ষু রোগীর ক্ষেত্রে সুফল মেলার দাবি তাদের।

এ বিষয়ে ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী বলেন, একটা রোগী এত খারাপ, ফিরে আসার সম্ভবনা কম তারপরও একটা ট্রায়াল দেওয়া যেতে পারে। ১০% রোগী ভালো হয় অনেক সময়।

রেজাউল করিম / একটিভ নিউজ