×
  • ঢাকা
  • শনিবার, ১২ জুন, ২০২১, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮
Active News 24

‌‘আয়রন ডোমকে’ ফাঁকি দিয়ে ইসরায়েলে আঘাত হানছে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: মে ১৭, ২০২১, ০৯:৫০ পিএম ‌‘আয়রন ডোমকে’ ফাঁকি দিয়ে ইসরায়েলে আঘাত হানছে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট
সংগৃহীত

ফিলিস্তিন থেকে ব্যাপক হারে রকেট হামলা চালানো হচ্ছে ইসরায়েলের নৃশংস আগ্রাসনের জবাবে। যা ২০১৯ ও ২০০৬ সালের চাইতে বেশি।

ইসরায়েলি আগ্রাসনের পাল্টা জবাব হিসেবে যে হারে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট হামলা হচ্ছে, তা দেখে  ইসরায়েল বিস্মিত হয়েছে।

গতকাল রবিবার এ বিস্ময় প্রকাশ করে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী ।

তাদের ভাষ্যমতে, এবারের সংঘাতে তারা ফিলিস্তিন থেকে সর্বোচ্চহারে রকেট হামলার মুখে পড়েছে।

এ তথ্য জানানো হয় বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল অরি গর্ডিন বলেন, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন হামাস গোষ্ঠী আজ সোমবার পর্যন্ত ইসরায়েলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে প্রায় তিন হাজার রকেট ছুড়েছে।

আগে হামাস বা লেবাননের হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর সাথে সংঘাতকালে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে যে হারে রকেট ছোড়া হয়েছিল, সেই তুলনায় এবার ইসরায়েল অনেক বেশি হারে রকেট হামলার মুখে পড়েছে বলে জানান মেজর জেনারেল অরি গর্ডিন।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর বরাতে আর্ন্তজাতিক গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, ২০১৯ সালের নভেম্বরে ফিলিস্তিনের সাথে এক দফায় সংঘাতে জড়ায় ইসরায়েল। তখন তিন দিনে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে মোট ৫৭০টি রকেট ছোড়ে হামাস।

২০০৬ সালে লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধে জড়ায় ইসরায়েল। ওই যুদ্ধে ১৯ দিনে হিজবুল্লাহ প্রায় ৪ হাজার ৫০০ রকেট হামলা চালায় ইসরায়েলে। হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় তখন ইসরায়েলের জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। হিজবুল্লাহর সাথে এই যুদ্ধের পরই ইসরায়েল একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ার বিষয়ে ঘোষণা দেয়।

তারপরই তারা ‘আয়রন ডোম’ নামের বিশ্বের অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলে। ইসরায়েল ২০১১ সালে প্রথম ‘আয়রন ডোম’ মোতায়েন করে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, আয়রন ডোমের মাধ্যমে তারা অধিকাংশ রকেট হামলা আকাশেই ঠেকিয়ে দিচ্ছে। তবে এবার গাজা থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে রকেট হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আয়রন ডোমের দুর্বলতা সামনে আসছে। গাজা থেকে ছোড়া অনেক রকেট আয়রন ডোম ফাঁকি দিয়ে ইসরায়েলে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

সাইফুল বারী / একটিভ নিউজ