• ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ মার্চ, ২০২১, ২১ ফাল্গুন ১৪২৭
Active News 24

ডিউটি বাদ দিয়ে ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন ডাক্তাররা: হাইকোর্ট


| ডেস্ক: প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১, ০৬:০০ পিএম ডিউটি বাদ দিয়ে ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন ডাক্তাররা: হাইকোর্ট
সংগৃহীত ছবি

হাইকোর্টের বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপারসহ (এসপি) ১১ জনের সমালোচনা করে বলেন সরকারি হাসপাতালের নির্ধারিত ডিউটি বাদ দিয়ে অনেকে চিকিৎসকই ব্যবসা নিয়ে বসে থাকে। আবার অনেকে হাসপাতালে যায় শুধু হাজিরা দিতে। অপরদিকে পুলিশের সমালোচনা করে আদালত বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। কিন্তু সেটি প্রমাণিত করতে পুলিশ কর্মকর্তাদের আরো সতর্ক হতে হবে।

আদালতে আইনজীবী মো. শাহপরান চৌধুরী আসামিপক্ষে শুনানি করেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুল ইসলাম।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গণমাধ্যমকে বলেন, আজ আদালতের নির্দেশ মেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন, পুলিশ সুপারসহ (এসপি) ১১ জন উপস্থিত ছিলেন। তখন আদালত এ ধরনের অসামঞ্জস্য প্রতিবেদনের জন্য পুলিশ বাহিনী ও জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সমালোচনা করেন।

আরো পড়ুন: হারিছ-আনিসকে ক্ষমা নিয়মের বাইরে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এসময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গনমাধ্যমকে আরও বলেন, ১১ কর্মকর্তাই আদালতকে বলেন, এটি ভুলবশত হয়েছে। এজন্য তাঁরা আদালতে নিশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। পরে আদালত, ভবিষ্যতে এসব ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে সবাইকে ব্যক্তিগত জাহিরা থেকেই অব্যাহিত দেন।

আরো পড়ুন: শিশু বক্তার জালিয়াতি ধরা! হাতে লিগ্যাল নোটিশ

অভিযুক্ত এই ১১ জন কর্মকর্তা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান, নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ টি এম আরিফুল হক, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. মো. একরামুল রেজা, ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা বোর্ডের সদস্য ডা. ফাহমিদা আক্তার, ডা. তোফায়েল হক, ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মো. শাহরিয়ার, ডা. তাসনিম তামান্না ও ডা. মো. শফিকুল ইসলাম।

এর আগে গত ১৭ জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে ধর্ষণের ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর তিনটি মেডিকেল রিপোর্ট ও একটি ছাড়পত্রে অসামঞ্জস্যতা থাকায় আদালত ওই ১১ জনকে তলব করেছিলেন। এরসাথে ওই ঘটনায় দুটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পুলিশ মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেন আদালত। 

এছাড়া আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে কোনোরকম হয়রানি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশও দেন আদালত।

একটিভ নিউজ