ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৩ মাঘ ১৪২৭, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১

Facebook Twitter Youtube

Logo

আমার বাড়ি, আমার গ্রাম, পাখির জন্য হোক অভয়ারণ্য

আমার বাড়ি, আমার গ্রাম, পাখির জন্য হোক অভয়ারণ্য। পাখি পরিবেশ ও প্রকৃতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  হ্যাঁ এই মন্ত্র বুকে নিয়ে আমাদের গ্রামের এক ঝাঁক ভালো মনের কচিকাঁচা তরুণ ছেলেদের সহযোগিতা নিয়ে পাখির জন্য হোক বাড়ি আমার বাড়ির মতো এই স্বপ্ন পূরণ করতে নেমে পড়েন টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের

সাজ্জাদ হোসেন টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১০:০৪
পাখির_বাসা

আমার বাড়ি, আমার গ্রাম, পাখির জন্য হোক অভয়ারণ্য। পাখি পরিবেশ ও প্রকৃতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  হ্যাঁ এই মন্ত্র বুকে নিয়ে আমাদের গ্রামের এক ঝাঁক ভালো মনের কচিকাঁচা তরুণ ছেলেদের সহযোগিতা নিয়ে পাখির জন্য হোক বাড়ি আমার বাড়ির মতো এই স্বপ্ন পূরণ করতে নেমে পড়েন টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার ফাজিলহাটি ইউনিয়নের কুমারজানী উত্তরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান।

 

এক সময় গ্রাম ছিল পাখপাখালির কুজনে মুখরিত এক ভিন্ন জায়গা। শহর আর গ্রামের অনেক পার্থক্য আছে, তার মধ্যে পাখির কুজন অন্যতম। গ্রামে একদিন সন্ধ্যা আসতো পাখির কিচির-মিচির শব্দের সাথে মিতালি করে। আজ যেন তা সুদূর অতীত।

সন্ধ্যা বেলায় সেই পাখির শব্দ মেলে না, দলবেঁধে ঘরে ফেরা পাখির দেখা মেলে না।

 

কি করে গ্রামের প্রতিটি বাড়ির গাছে, বনে কি জঙ্গলে ফিরিয়ে ‍আনা যায় দোয়েল, কোকিল, ফিঙে, চড়ুই, টিয়াসহ নাম না জানা গ্রাম বাংলার সব পাখিকে।

 

এমন ভাবনা থেকেই নিজের গ্রামকে পাখির গ্রাম হিসাবে গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেন গ্রামের অন্য ভাবনার যুবক মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান। যেই ভাবনা সে কাজ। সম্পূর্ণ নিজের অর্থে সে কিনে ফেলে পাখির বাসা পার্শবর্তী ইউনিয়নের এলাসিন নামক গ্রাম থেকে। গ্রামের কয়েকজন যুবকদের জানায় সাথে সাথে তারা সম্মতি জানায়।

 

এই পাখির বাসা স্থাপনের কাফেলায় মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান পেয়ে যান গ্রামের আরো কিছু পাখিপ্রেমী তরুণ-যুবককে।

ওমর, টিটু, রায়হান, আলামিন, তাদের লক্ষ্য গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের বাহক নানা প্রকার বিলুপ্ত হতে যাওয়া পাখির জন্য নিরাপদ বাসস্থান তৈরির মাধ্যমে পাখির অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং গ্রাম বাংলার হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা।

 

পাখিপ্রেমী এই যুবকদের স্বপ্ন তাদের  ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এ গ্রাম ধীরে ধীরে হয়ে উঠবে পাখির অভয়াশ্রম। তাদের সকলের সহায়তায় তারা পাখিদের জন্য গাছে-গাছে করছেন পাখির ঘর-সংসার।

 

এজন্য গাছে মাটির কলস বেঁধে দিয়েছেন। দেশীয় পাখিগুলো যাতে ওই কলসে নিজ নিজ আশ্রয় খুঁজে নেয়। 

 

মোহাম্মদ হেলালুজ্জামান জানান, গ্রামের রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে, জমির পাশে, কবরস্থানের পাশে, বিভিন্ন বাড়ির গাছের ডালসহ গ্রামের আনাচে-কানাচের বিভিন্ন গাছের মগডালে কলস বেঁধে দেওয়া হয়েছে আরো কলস বেঁধে দেওয়া হবে। এছাড়াও আমি চাই পার্শবর্তী প্রতিটি গ্রামেও আমার পরিচিত লোকদের বলতেছি তারাও অনেকেই রাজি হয়েছেন।

এ বিষয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। অন্যান্য গ্রামেও যাতে এ ধরণের উদ্যোগ নেওয়া হয় সে জন্য। সব এলাকাতে যদি এই রকম পাখির বাসা ও পাখির জন্য অভয়াশ্রম তৈরী করা হয় ফিরে আসবে আবার সেই হারানো দিন।

 

পাখি আমাদের পরিবেশের অন্যতম অংশ। পাখির অভাবে আজ আমাদের গ্রামের কৃষক জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করে কীট-পতঙ্গ মারে ফলে উৎপাদিত খাদ্যশস্য আমাদের শরীরে নানা রোগ সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পাখি প্রজননের পরিবেশ পেলে পাখি বাড়বে আর সেই সাথে জমিনে ফসল উৎপাদনে আর কীটনাশক ব্যবহার অনেকাংশেই কমে যাবে এমনকি একদিন বন্ধ হয়ে যাবে বলে আমি মনে করি।



একটিভ নিউজ / ইসমা
×
লাইফস্টাইল বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আমার বাড়ি, আমার গ্রাম, পাখির জন্য হোক অভয়ারণ্য। পাখি পরিবেশ ও প্রকৃতির জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  হ্যাঁ এই মন্ত্র বুকে নিয়ে আমাদের গ্রামের এক ঝাঁক ভালো মনের কচিকাঁচা তরুণ ছেলেদের সহযোগিতা নিয়ে পাখির জন্য হোক বাড়ি আমার বাড়ির মতো এই স্বপ্ন পূরণ করতে নেমে পড়েন টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার

Active News logo
    Active news app

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মোঃ আজিজুর রহমান
সহ-সম্পাদক: বি, এম বাবলুর রহমান
উপদেষ্টা: এ‍্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
উপদেষ্টা: জাহাঙ্গীর আকন্দ
প‍্যারামাউন্ট হাইটস, পল্টন, ঢাকা-১০০০।
টেলিফোন: ০২-৪৮৯৫৭৯৬৭
মোবাইল: ০১৭১৬-৪৬৫৬১৬
ইমেইল: activenewsoffice@gmail.com