×
  • ঢাকা
  • রবিবার, ১৬ মে, ২০২১, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

সেদিন কি হয়েছিল জানালেন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২১, ০৭:৪৫ পিএম সেদিন কি হয়েছিল জানালেন প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিক
সংগৃহীত

‘সর্বাত্মক লকডাউন’দেশে চলছে  ঊর্ধ্বমুখী করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে । এ সময় গতকাল রবিবার (১৮ এপ্রিল) পরিচয়পত্র চাওয়া নিয়ে এক চিকিৎসকের সাথে বাক-বিতণ্ডা হয়েছে পুলিশের। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সোস্যাল মিডিয়া মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় বিতর্ক। এরই প্রেক্ষিতে ভিডিওতে যা নেই, সেই ‘আসল সত্য’ তুলে ধরেছেন প্রত্যক্ষদর্শী একজন সাংবাদিক।

রাজধানীর এলিফেন্ট রোডে ঘটনাটি ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায় যে, পুলিশের দল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নারী চিকিৎসক কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছেন না। উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পাশাপাশি গালিগালাজও করা হয়েছে দুই পক্ষ থেকে।

পুলিশ আইডি কার্ড চাইতেই পারে, এক্ষেত্রে চিকিৎসক সাঈদা শওকত জেনির রেগে যাওয়া এবং তুই-তোকারি আর গালিগালাজ করা উচিত হয়নি- এমন মন্তব্য করছেন অনেক সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী। এ প্রসঙ্গে ওই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা সাংবাদিক আহমেদ রাজু বলেন, একটা খণ্ডিত ভিডিও প্রচার করে চিকিৎসককে দোষারোপ করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন: সেই চিকিৎসকের বাবা, মেয়েকে নিয়ে যা বললেন

ফেসবুকে স্ট্যাটাসেআহমেদ রাজু লিখেন, ভিডিওর আগের ঘটনা না জেনেই সবাই কথা বলছে। নারী চিকিৎসকের কাছে বিএসএমএমইউর পরিচালকের লিখিত পাস ছিলো। গাড়িতে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনকৃত স্টিকার। শুধু অ্যাপ্রোন নয়, সেখানে নাম লেখা মনোগ্রাম ছিলো। তিনি সেসব দেখিয়েছেনও। কিন্তু তারপরও পুলিশ তাকে ভুয়া বলেছে।

শুধু তাই নয়, ওই নারী চিকিৎসককে চার-পাঁচজন পুলিশ সদস্য মিলে আরও অপমান করেছেন। তাকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে কারাগারে থাকা পাপিয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে! এমন ভয়ানক অপমানের পর যে কারও রেগে যাওয়া স্বাভাবিক। ওই চিকিৎসকও রেগে গিয়েছেন।

সাইফুল বারী / একটিভ নিউজ