×
  • ঢাকা
  • শনিবার, ০৮ মে, ২০২১, ২৪ বৈশাখ ১৪২৮

যা আছে মুনিয়ার সুরতহাল রিপোর্টে 


একটিভ নিউজ প্রকাশিত: এপ্রিল ২৮, ২০২১, ০৪:৩০ পিএম যা আছে মুনিয়ার সুরতহাল রিপোর্টে 
সংগৃহীত

রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধারের ঘটনায় বিভিন্ন তথ্য মিললেও মূল ঘটনার জট খোলা সম্ভব হয়নি এখনো। তাই তদন্ত কার্যক্রমকে আরো বেগবান করতে নিহত মুনিয়াকে ধর্ষণ বা বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে সুপারিশ করা হয়েছে সুরতহাল রিপোর্টে। 

আজ বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম হোসেনের লেখা একটি সুরহতাল রিপোর্ট আসে দেশের প্রথমসারির এক গণমাধ্যমের কাছে।

আরো পড়ুন: গুলশানে তরুণীর লাশ উদ্ধার: যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ প্রতিবেদনে শামীম হোসেনে লিখেন, হত্যার আগে ভিকটিম ধর্ষিত হয়েছে কি না তা জানার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। কিংবা তাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল কি না তাও তদন্তের আওতায় আসার সুপারিশ করা হয়েছে। 

এ সুরতহাল প্রতিবেদনে বলা হয়, মুনিয়ার বয়স ২৩ বছর। গায়ের রং ফর্সা। লম্বা অনুমান ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি। মাথার চুল লম্বা অনুমান ১২ ইঞ্চি। চুলের রং বাদামি। মুখমণ্ডল গোলাকার, নাক স্বাভাবিক, চোখ দুটি বন্ধ, জিহবা মুখ থেকে আধা ইঞ্চি বাহিরে, দাঁত দিয়ে কামড়ানো, দুইটি দাঁত দেখা যায়। জিহবা দিয়ে সামান্য লালা বের হয়েছে। গলার বামপাশে অর্ধচন্দ্রাকৃতি গভীর কালোদাগ রয়েছে। হাত দুটি শরীরের সঙ্গে লম্বালম্বি অর্ধমুষ্টি। 

আরো পড়ুন: মুনিয়ার ‘আত্মহত্যার’, গুলশান থানায় নাটকীয় চার ঘণ্টা!

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, মৃতের বড়বোনের দ্বারা লাশ ওলটপালট করে বুক পেট ও পিঠ স্বাভাবিক দেখা যায়। মলদার স্বাভাবিক, যৌনাঙ্গে দিয়ে লালচে রঙের পদার্থ বের হতে দেখা যায়। দুই পা লম্বালম্বি, পায়ের আঙুল নিম্নমুখী।

এ বিষয়ে এসআই শামীম হোসেন জানান, ভিকটিম ধর্ষিত হয়েছে কিনা, ধর্ষিত হলে ডিএনএস সংগ্রহ, ভিকটিমকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছে কিনা এবং ভিকটিমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বিভাগীয় প্রধান ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল বরাবর পাঠানো হয়েছে।

রেজাউল করিম / একটিভ নিউজ